আশাবাদীর দিনপঞ্জিকা
অর্থহীন এক জীবনে কিছু আশার কথা
অর্থহীন এক জীবনে কিছু আশার কথা
Aug 6th
আপনি একজন লিনাক্স ভক্ত, কিন্তু আপনার মনে খুব দুঃখ যে শুধুমাত্র লিনাক্স নিয়ে আলোচনা করার জন্য বাংলায় কোনো ফোরাম নেই। সমস্যায় পড়লে বিভিন্ন বাংলা ফোরাম কিংবা ব্লগে গিয়ে সাহায্য চাইতে হয়। তাছাড়া অনলাইনে লিনাক্স নিয়ে বাংলায় আলোচনার জন্য নির্দিষ্ট কোনো ফোরাম না থাকায় লিনাক্স ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন বাংলা ব্লগ ও ফোরামে বিচ্ছিন্নভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে সাহায্য করে যাচ্ছেন। কেমন হত যদি এই সব লিনাক্স ব্যবহারকারীদের একছাদের নীচে আনা যেত। যদি শুধু লিনাক্স ব্যবহারকারীদের জন্য একটা ফোরাম থাকতো! যেখানে সব লিনাক্স ব্যবহারকারীরা একসাথে আড্ডা মারবেন। মনের সুখ-দুঃখের কথা বলতে পারবেন, একে অন্যকে সাহায্য করতে পারবেন, সেই সাথে নিজেদের মধ্যে ঠাট্টা তামাশাও করতে পারবেন। শুধু চিন্তা করে দেখুন, সব লিনাক্স ব্যবহারকারী এক জায়গায়! আপনি উবুন্টু-মিন্ট-ফেডোরা যেটা নিয়েই সমস্যায় পড়েন না কেন, কেবল কোনো মতে হাঁচড়ে পাঁচড়ে সেই জায়গায় গিয়ে পৌঁছুতে পারলেই হয়, বাঘা বাঘা লিনাক্স ব্যবহারকারীরা আপনার সমস্যা সমাধানে ঝাঁপিয়ে পড়বে। ভাবতেই মনটা ভালো হয়ে যাচ্ছে – তাইনা!
২০০২ সাল থেকে স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন বাংলাদেশ লিনাক্স ইউজার্স এলায়েন্স বা বিএলইউএ বাংলাদেশে লিনাক্স ছড়িয়ে দেবার জন্য কাজ করে আসছে। বিএলইউএ এর শাখা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে উবুন্টু বাংলাদেশ এবং ফেডোরা বাংলাদেশ। তাছাড়া বাংলাদেশে ক্রিয়েটিভ কমন্স এর অ্যাফিলিয়েট হিসেবে কাজ করছে বিএলইউএ। পাশাপাশি বেশ কিছু সফটওয়্যারের বাংলা লোকালাইজেশনের উপরও কাজ হচ্ছে বিএলইউএ। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে যে, সেই ২০০৫ সাল থেকেই কেবলমাত্র বাংলাদেশী লিনাক্স ব্যবহারকারীদের জন্য বিএলইউএ একটি ফোরাম রয়েছে। এর নাম লিনাক্স ফোরাম।
অবাক হচ্ছেন তাইনা! একটা পুরো ফোরাম লিনাক্সের জন্য, তাও আবার বাংলাদেশের লিনাক্স ব্যবহারকারীদের জন্য – অথচ এ ব্যাপারটাই আপনি জানতেননা। না জানার মূল কারণ হচ্ছে লিনাক্স ফোরাম যখন থেকে শুরু হয় (২০০৫ সালে) তখনও লিনাক্স বাংলাদেশে ততটা জনপ্রিয় হয়ে উঠেনি, তাছাড়া সেসময় লোকজন এখনকার মত ব্যাপকভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করতো না ফলে ব্লগে ও ফোরামগুলোতে এত লোকের আনাগোনা ছিলনা। তাই স্বল্পসংখ্যক ব্যবহারকারীর ব্যবহার করা ফোরামটি অনেকটা আড়ালেই ছিল। তাছাড়া ফোরামটি বাংলাদেশীদের জন্য তৈরি করা হলেও সেসময় বাংলা লোকালাইজেশনের সুবিধা সেরকম না থাকায় এর ভাষা ছিল ইংলিশ। ফলে মায়ের ভাষায় সেভাবে আলোচনা করতে না পারায় এবং তার কিছু পরেই অনলাইনে সম্পূর্ণ বাংলা কয়েকটি ফোরাম চলে আসায়, লিনাক্স ফোরাম কার্যত অদৃশ্য হয়ে পড়ে।
বর্তমানে বাংলাদেশে লিনাক্স প্রসার ও প্রচারে এবং নবীন ব্যবহারকারীদের জন্য লিনাক্স সম্পর্কীত বিভিন্ন আলোচনার জন্য কয়েকটি বাংলা ফোরাম ও ব্লগের অবদান অনস্বীকার্য। সত্যি বলতে কি, ঐ সব ফোরামে মাধ্যমেই লোকজন লিনাক্স সম্পর্কে উৎসাহী হয়েছে এবং এখন লিনাক্স ব্যবহার করছে। কিন্তু এতে কিছু সমস্যায়ও পড়তে হয় নতুন ব্যবহারকারীদের। যেহেতু এরকম কোনো ফোরাম বা ব্লগ নেই যেখানে সকল লিনাক্স ব্যবহারকারী একসাথে রয়েছেন, সেহেতু দেখা যায় যে সর্বোচ্চ সাহায্য পাবার আশায় একজন ব্যবহারকারী একই প্রশ্ন বিভিন্ন ফোরাম ও ব্লগে পোস্ট করেন এবং উত্তর দেখার জন্য সবগুলো ফোরাম ও ব্লগে তাকে নিয়মিত যেতে হয়। ব্যাপারটা বেশ ঝামেলার। তাই শুধুমাত্র লিনাক্সের জন্য একটা বাংলা ফোরামের অভাব সবসময়ই অনুভূত হত। এমন একটা ফোরাম যেখানে নবীন থেকে প্রবীন কিংবা নাদান থেকে ঝানু সব ধরনের লিনাক্স ব্যবহারকারীরা একত্রিত হবেন, যেখানে নতুন ব্যবহারকারীরা সব রকমের সাহায্য পাবেন, যেখানে পুরনো ব্যবহারকারীরা তাদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন ব্যবহারকারীদের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করবেন, যেখানে লিনাক্স ব্যবহার করতে গিয়ে মুখোমুখি হওয়া যে কোনো সমস্যা নিয়ে যে কেউ নির্দ্বিধায় আলোচনা করতে পারবেন। সোজা কথায়, শুধু বাংলায় পুরোপুরি লিনাক্সময় একটা ফোরামের খুব অভাব ছিল।
বাংলা ভাষায় নির্মিত সম্পূর্ণ লিনাক্স ফোরামের এই অভাবটি এবার ঘুচতে যাচ্ছে। বিএলইউএ লিনাক্স ফোরামটিকে পুরোপুরি বাংলায় রূপান্তর করে ফেলা হয়েছে। সেই সাথে নতুন থিম ব্যবহার করে চেহারায়ও নতুনত্ব দেয়া হয়েছে লিনাক্স ফোরামকে। বলা যায় যে নতুন রূপে লিনাক্স ফোরামের পুণর্জন্ম হয়েছে। এবার লিনাক্সপ্রেমী ও লিনাক্স ব্যবহারকারীদের কলতানের অপেক্ষায় রয়েছে ফোরামটি। আপনি যদি লিনাক্স নিয়ে আগ্রহী হয়ে থাকেন কিংবা আপনি যদি লিনাক্সের দুনিয়ায় নতুন হয়ে থাকেন, যদি লিনাক্সের সাথে আরো ভালোভাবে পরিচিত হতে চান, যদি লিনাক্সের সৌন্দর্য পুরোপুরি উপভোগ করতে চান, যদি লিনাক্স নিয়ে যেকোন সমস্যায় অভিজ্ঞদের পরামর্শ পেতে চান – তবে আপনার জন্যই অপেক্ষা করছে লিনাক্স ফোরাম। আর আপনি যদি লিনাক্সের দুনিয়ায় পুরনো হয়ে থাকেন, আপনি যদি আপনার অভিজ্ঞতার ঝুলি দিয়ে নতুনদেরকে সাহায্য করতে উদগ্রীব হয়ে থাকেন, আপনি যদি বাংলাদেশে লিনাক্স প্রচার ও প্রসারে যদি কিছু করতে চান – তাহলে আপনার জন্যও ফোরামটি অপেক্ষা করছে। আপনি যদি উপরের দু’ধরনের কোনটাই না হয়ে থাকেন, তারপরও আপনি লিনাক্স ফোরামে আমন্ত্রিত; লিনাক্স কি, এটা দিয়ে কি করা যায় না করা যায়, আপনার সব কাজ কিভাবে লিনাক্স দিয়ে করতে পারবেন ইত্যাদি নিয়ে কিছু ধারণা পাবেন। আর কিছু নাহোক, বাংলাদেশী লিনাক্স ব্যবহারকারীদের সাথে অন্তত আড্ডা তো মারতে পারবেন।
লিনাক্স ফোরাম আপনার জন্য প্রস্তুত। আপনি যোগ দিতে প্রস্তুত তো? আমরা কিন্তু আপনার নিবন্ধনের অপেক্ষায় রয়েছি…
http://forum.linux.org.bd
প্রচারে:
বাংলাদেশ লিনাক্স ইউজার্স এলায়েন্স (বিএলইউএ)
Jul 31st
পরিচয় ও সম্পর্কের অগ্রসর তাকে আমি প্রথম দেখেছিলাম কলেজে থাকতে। না কোন নাটকীয়তা নেই, নেই কোন ঝনঝনানি। খুবই স্বাভাবিকভাবে পরিচয়। এমন কতোজনের সাথেই তো পরিচয় হয়, এরপরও কিছু কিছু পরিচয় জীবনটাকে বদলে দিতে পারে। তার সাথে পরিচয় এমনই….
More >
Jul 30th
আজকে দুপুরে উবুন্টু বাংলাদেশ মেইলিং লিস্টে একটি গুরুতর বিষয় সবার গোচরে আনা হয়েছে। তা হচ্ছে চিটাগং-এ “Ubuntu Bangladesh Ltd.” নামক একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম কেবল সন্দেহজনকই নয় বরং বেআইনীও বটে। উবুন্টুর অফিসিয়াল স্পন্সর Canonical Ltd., এবং বাংলাদেশে তাদের অনুমোদিত একমাত্র লোকো টিম হচ্ছে “Ubuntu Bangladesh”, এর বাইরে আর কোন টিম অফিসিয়ালি বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে না। “Ubuntu” ক্যানোনিক্যাল লিমিটেড-এর রেজিস্টার্ড ট্রেডমার্ক এবং লিখিত অনুমতি ছাড়া কোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান অথবা অন্য কোন গ্রুপ তাদের সেবার মাঝে Ubuntu শব্দ ব্যবহার করতে পারেন না। এছাড়া যতদূর ধারণা আছে Bangladesh Company Act 1994 অনুযায়ী Ltd. কেবল রেজিস্টার্ড সীমিতদায় প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার করা যায়, অননুমোদিত ব্যবহার দন্ডনীয় অপরাধ।
একই সাথে উক্ত “উবুন্টু বাংলাদেশ লিমিটেড”-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তারা বিভিন্ন এলাকার মানুষ ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাত করেছে “Ubuntu Rural ICT Center” প্রতিষ্ঠার নাম করে। ক্যানোনিক্যালের এমন কোন উদ্যোগ শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের আর কোথাও নেই।
তাদের এই কার্যক্রম ক্যানোনিক্যালের লিগ্যাল টিমের গোচরে আনা হয়েছে, একই সাথে ফেসবুকে অবস্থিত তাদের প্রোমোশন্যাল পেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এদের কার্যক্রম সম্পর্কে সকলকে সতর্ক থাকার জন্য বলা হলো একই সাথে সকলকে অনুরোধ করছি তাদের এই বেআইনী কার্যক্রম সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করুন, প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহযোগীতা করুন।
একই সাথে এখানে উল্লেখ করা হচ্ছে যে, কেউ যদি উবুন্টুর জন্য কাজ করতে চান তবে তাদেরকে আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু অনুগ্রহ করে কোন উদ্যোগ নেয়ার আগে উবুন্টু বাংলাদেশ টিমের গোচরে আনবেন এবং তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নিয়ে নিবেন। অতিউৎসাহী হয়ে বেআইনী কোনকিছুর সাথে জড়িয়ে পড়বেন না।
Jul 27th
আমার এই গল্পের শুরু আজ থেকে তিন বছর আগে ২০০৮ সালের নভেম্বরে।
খুব বেশিদিন হয়নি আমি লিনাক্সের ভুবনে পদার্পন করেছি, সেটাও আরও অনেকের মতো উবুন্টু লিনাক্স দিয়ে। আমি যখন লিনাক্সের ভুবনে আসি লিনাক্স ওপেনসোর্স নিয়ে ভাসা ভাসা ধারণা নিয়ে, প্রবল আগ্রহ থেকেই আমার পথ চলা। তখনও ওপেনসোর্স বা লিনাক্স নিয়ে এতো মাতামাতি শুরু হয়নি, ওপেনসোর্স বা লিনাক্সের উপর বাংলা লেখাও অপ্রতুল। লিনাক্স নিয়ে গুতাই, প্রতিদিন এর শক্তি/ফিচার/সৌন্দর্য নিয়ে আপন মনে পুলকিত হই। আমার চাহিদা খুবই সাধারণ থাকায় খুব বেশি সমস্যায় পরিনি, আবার যেসব সাধারণ সমস্যায় পরেছিলাম তার সমাধান করে নিয়েছি বিভিন্ন বিদেশী সাইট/ফোরামের সহায়তায়। এরপর কিছুদিন উবুন্টু বাংলা অনুবাদও করলাম।
এভাবেই ঘুরতে ঘুরতে একদিন উবুন্টু উইকি-তে লোকো টিম সম্পর্কে জানতে পারি। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে লোকো টিমের মাধ্যমে একটি বড় উবুন্টু সম্প্রদায় দাঁড়িয়ে আছে দেখে পুলকিত হই। সেখানেই একটু খুঁজতে পেয়ে যাই উবুন্টু বাংলাদেশ টিম প্রোফাইল। বাংলাদেশে আরও উবুন্টু ব্যবহারকারীদের সাথে পরিচিত হবো এই আশায় উবুন্টু বাংলাদেশ ওয়েবপোর্টালে যাই। সেখানে পুরাতন কিছু খবর ও সহায়িকা দেখি। মনে হয় আর সবক্ষেত্রের মতো এই ওয়েবপোর্টালও অবহেলিত।
মনে হলো যদি তাদের কোনভাবে সহযোগীতা করা যায়। যেমন ভাবা তেমন কাজ। তাদের যোগাযোগ পাতায় জানিয়ে দিলাম তাদের পোর্টাল আপডেট ও নতুন সহায়িকা লেখার কাজে সহযোগীতা করতে ইচ্ছুক।
কিছুদিন পরই একজন ইমেইল করলেন আমার আগ্রহকে উৎসাহ দিয়ে জানতে চাইলেন কিভাবে আমি সাহায্য করতে চাই। এই একজন আর কেউ নন উবুন্টু বাংলাদেশ টিমের লিডার রাসেল জন। আমি আবারও তাকে জানালাম নতুন খবর আপডেট ও কিছু লেখা দিতে আগ্রহী আছি। সে আমাকে জিজ্ঞাসা করে আমি অনুবাদে আগ্রহী কিনা, এবং এরপর আমাকে পরখ করার জন্য তিনটি আর্টিকেল পাঠায় অনুবাদ করতে। আর্টিকেল দেখে কিছুটা হতাশ হই, কারণ সেগুলোর প্রত্যেকটিই তিন মাসের বেশি পুরাতন। যাই হোক যথাসময়ে অনুবাদ করে দিলাম তাকে। তখন তিনি আমাকে বললেন তিনি আমাকে উবুন্টু বাংলাদেশ সাইটে এক্সেস দিচ্ছেন আমি যেনো নিজেই পোস্টগুলো দিয়ে দেই। যদিও আমি কখনও জুমলায় কাজ করিনি, একটু ঘেটে দেখে নিলাম কোথায় কি আছে এরপর পোস্ট দিলাম। সেই থেকে শুরু এরপর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন লেখা ও খবর সাইটে দিয়েছি। More >
May 3rd
অভিধানের ভাষায় “চিঠির” সংজ্ঞা, “কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে প্রেরিত লিখিত বার্তা” হলেও আমার কাছে চিঠির মানে ভিন্ন। সামনে বসে যেসব কথা বলা যায় না সেই কথাগুলো নিজের মনের ডালপালা মেলে দিয়ে রঙীন সাজে সাজিয়ে মনের ভাব অন্যকে জানানো হয় চিঠিতে। কখনও কখনও আবার চিঠির মাধ্যমে অভিযোগ অনুযোগ মান অভিমানও প্রকাশ করা যায়। আধুনিক প্রযুক্তির ভিড়ে চিঠি লেখা যেনো হারিয়েই যাচ্ছে সবাই মোবাইল টেক্সট ম্যাসেজ, ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেঞ্জার, ইমেইল ব্যবহারের মাধ্যমে দ্রুত তাদের বার্তা প্রাপকের কাছে পাঠিয়ে নিশ্চিন্ত হতে চান। কিন্তু তারপরও হাতে গোনা কয়েকজন মানুষ রয়ে গেছেন যারা এখনও হাতে চিঠি লিখতে অসম্ভব ভালোবাসেন। আমি তাদের মধ্যে একজন। নিয়মিত চিঠি লিখতে না পারলেও মাসে একবার চিঠি লেখা তো হয়ই।
ছোটবেলায় যখন বাংলা দ্বিতীয় পত্রের জন্য “বাবার কাছ থেকে টাকা চেয়ে চিঠি” অথবা “বিদেশে অবস্থানরত পত্রমিতালীকে চিঠি” লিখতে হতো তখন চোখে অন্ধকার দেখতাম সাথে চিঠি লেখার উপর বড়ই বিরক্তির উদ্রেক হতো। কিন্তু আমি বরাবরই একটু ভাবুক প্রকৃতির তাই মনে মনে আকাশ কুসুম অনেক কিছু ভাবতে ভালো লাগতো, দেখা যেতো এরকম আকাশ কুসুম ভাবতে ভাবতেই চিঠি লিখে ফেলেছি কাউকে। মনে মনে চিঠি লেখাটা হতো বেশি যখন বাবা মা অথবা বোনদের কারো উপর প্রচন্ড রাগ উঠলে রাগারাগি কান্নাকাটির পর।
More >