ওপেনসোর্স/লিনাক্স প্রেমিকদের একটা বড় অংশ বেশ কিছুদিন ধরেই আগ্রহ জানাচ্ছিলো লিনাক্স/ওপেনসোর্স ভিত্তিক মার্কেন্ডাইজের জন্য। অনেকেই জানতে চাইছিলো স্টিকার/পোস্টার/মগ/টিশার্ট ডিস্ট্রিবিউট করা সম্ভব কিনা কমিউনিটির পক্ষ থেকে। উবুন্টু বাংলাদেশও তাদের পরিচালনার খরচ ওঠানোর জন্য অনুদানের উপর নির্ভর না করে নিজেদের কিছু পণ্য বিক্রি করে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহের কথা ভাবছিলো। কিন্তু নানা কারনে এই উদ্যোগ বারবার পিছিয়ে যাচ্ছিলো। অবশেষে কিছু কাজ এগোনো সম্ভব হয়েছে, জনপ্রিয় উবুন্টু লিনাক্সের টিশার্ট প্রথম প্রচারের ব্যবস্থা করেছে উবুন্টু বাংলাদেশ টিম, সহায়তায় রয়েছে বাংলাদেশ লিনাক্স ইউজার্স এলায়েন্স ও আমাদের প্রযুক্তি ফোরাম।
Continue reading
সংগ্রহ করুন উবুন্টু লিনাক্স টিশার্ট
বটগাছের কাছে আমার উচ্ছ্বাস
প্রিয় বটগাছ, অনেকদিন তোমার ছায়ায় এসে দুদন্ড বসিনি, তোমায় আমার মনের কথা বলিনি। তুমি কি রাগ করেছো? অভিমান? ইশশ তুমি এতো বিশাল এতো বড়, তুমি রাগ অভিমান করে থাকতে পারো? মোটেও না।
শেষবার যখন তোমার কাছে এসে বসে কথা বলেছিলাম অনেক একান্ত কথা বলেছিলাম কিছু না বলা রয়ে গেছে। মানুষের জীবন কতো বৈচিত্রময়। গতবার বেশ হতাশভাবে কথা শেষ করলাম আর যখন আজ আবার কথা বলছি আমার জীবনে কতো কিছু ঘটে গেছে নতুন, আজ আমি আর হতাশার দোলাচালে দুলতে দুলতে ভেসে যাচ্ছি না।
Continue reading
বটগাছের সাথে এক আশাবাদীর(!!) কিছু কথা
- বটগাছের সাথে পরিচয়
বটগাছ তুমি কেমন আছ? মনে হয় তুমি আমাকে এখানে এসে কথা বলতে দেখে বিরক্ত হচ্ছ.. হঠাৎ করে তোমার কাছে এসে জিজ্ঞাস করছি কেমন আছ!!
অনেকদিন ধরে তোমাকে এখানে মূর্তির মতো দাড়িয়ে থাকতে দেখেছি…তুমিও নিশ্চয় আমাকে তোমার নিচ দিয়ে অনেকবার যেতে দেখেছো তাই ধরে নিচ্ছি তুমি আমাকে চিনো।
আমি অনেককে তোমার সাথে কথা বলতে দেখেছি আর ভাবেছি তারা কত অবুঝ!! একটি বটগাছের সাথে কথা বলছে…কিন্তু আজ আমি বন্ধুহীন অবস্থায়। আমার কথা শুনার আর কেউ নেই তাই আমি তোমার কাছে এসেছি… তুমি শুনবে তো???
আমি জানিনা তোমার বয়স কত, কতদিন থেকে তুমি এখানে দাড়িয়ে আছ.. আমি এখানে আসার পর থেকেই তোমাকে দেখেছি… ধরে নিচ্ছি তুমি এই জায়গার মতনই প্রাচীন… অনেককে আসতে দেখেছ অনেককেই চলে যেতে দেখেছ… অনেকের অনেক মনের কথাও তোমার জানা.. কিন্তু তুমি কি কখনও আমার মত কাউকে দেখেছ যে কাঁদতে ভুলে গেছে? প্রতিদিন আমি চিৎকার করে কাঁদতে চাই কিন্তু পারিনা…আমার মন কেঁদে চলে কিন্তু শান্তি পাইনা।
Continue reading
AIUB VUES System
লেখার শিরোনামটা ইংরেজীতে দিতে হলো বলে মনে খঁচখঁচ করছে। কিন্তু বাংলা অক্ষরে ইংরেজী শিরোনাম দিয়ে কোন লাভ নেই তাই ইংরেজীই থাকুক। যাই হোক আসল কথায় তাড়াতাড়ি আসি। আমি প্রায় চার বছর ধরে American International University Bangladesh (AIUB)-এ বিবিএ (মার্কেটিং ও এমআইএস) পড়ছি। এই সেমিস্টারই (Fall 2009-10) বলতে গেলে আমার শেষ সেমিস্টার হবে এআইইউবি-তে (যদি না আবার এমবিএ এআইইউবি-তে পড়ি)।
এআইইউবি বাংলাদেশের প্রথম সারির প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিগুলোর মধ্যে একটি, যদিও ছাত্র/ছাত্রীরা আগে নর্থসাউথ, ইস্টওয়েস্টকে প্রাধান্য দেয়। আমি একটা কথা বলতে পারি এআইইউবি-তে পড়ে আমি আর যাই হোক অসন্তুষ্ট নই। তাদের পড়ালেখার মান বেশ ভালো (অন্তত আমি যখন ঢুকেছিলাম তখন অনেক ভালো ছিলো, এখন সব ভালো শিক্ষক/শিক্ষিকারা উন্নত শিক্ষার জন্য আবার দেশের বাইরে দলে দলে গেছেন তাই সব জুনিয়র শিক্ষক/শিক্ষিকারা পড়াচ্ছেন)।
Continue reading
নতুন ইন্টারনেট সংযোগ নেয়ার পিছনের কাহিনী

কিছুদিন ধরে অজ্ঞান/ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলাম। আক্ষরিক অর্থে না হলেও অনলাইন ভুবনে পুরো ১ সপ্তাহের মতো অনুপস্থিত ছিলাম। অনেকদিন ধরে আমার খুবই বাজে ইন্টারনেট সমস্যা নিয়ে কান্নাকাটি করে আসছিলাম (আক্ষরিক অর্থেই), ধীর গতির ইন্টারনেট সংযোগ, ঘন ঘন সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া, বৃহঃস্পতিবার/শুক্রবার অবধারিতভাবে সংযোগ কেঁটে যাওয়া, সমস্যা সম্পর্কে অভিযোগ করে সমাধান না পাওয়া, ধীর টেক সাপোর্টসহ নানা সমস্যা সবসময়ই বিরক্ত করতো। আমার কান্নাকাটি/অভিযোগের ফিরিস্তি দেখে অনেকেই জিজ্ঞাসা করতো এতো অভিযোগ না করে বরং আইএসপি পরিবর্তন করলেই পারো সেটা করো না কেনো। বিষয়টা যতো সহজ মনে হয় ঠিক ততো সহজ নয়।
ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অধীনে হওয়ায় বারিধারা ডিওএইচএস-এ কিছু বিরক্তিকর নিয়ম আছে, যার একটি হলো এই আবাসিক এলাকায় নিয়ন্ত্রিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি (শুনতে ন্যায্য বা খারাপ না মনে হলেও বাস্তব প্রয়োগ খুবই বিরক্তিকর), এই নিয়ম ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের ক্ষেত্রেও একই, অনেক ভালো সার্ভিস প্রোভাইডাররা যারা অন্যখানে ভালো সেবা দিচ্ছে তারা ডিওএইচএস এলাকার ভিতরে ব্যবসা করতে পারে না। অন্যদিকে আর যেসব আইএসপি সেবা দিচ্ছে সেগুলোর সেবার মান যাচ্ছে তাই অথবা সেবার মাসিক সার্ভিস চার্জ অনেক বেশি (২০০০+)।
Continue reading